SEO লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
SEO লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

কম্পিটিটর এনালাইসিস শিখুন একদম হাতে কলমে এবং আয় শুরু করুন আজকে থেকেই(শেষ পর্ব)


সাধারণত যারা প্রফেশানালি এসইও এর কাজ করেন বা নিজের ওয়েবসাইটকে যারা এসইও করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য কম্পেটিটর এনালাইসিজ বা কম্পেটিটর রিসার্চ সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকাটা অনেক জরুরী। ঠিকমত কম্পেটিটর রিসার্চ করতে পারলে আপনার সাইটের প্রতিদ্বন্দী সাইটগুলো সম্পর্কে ভাল ধারণা পাবেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের এসইও করাটা অনেক সহজ হয়ে যায় এবং র্যাংকিংয়ে উপরের দিকে থাকা আপনার সাইটের রিলেটেড অনেক সাইটকে টপকে আপনার সাইটকে খুব সহজে সার্চ ইঞ্জিনের টপে নিতে পারবেন। এবার আসুন দেখি কম্পেটিটর এনালাইসিস কি? কেন করবেন এবং কিভাবে করবেন কম্পেটিটর এনালাইসিস।
কম্পিটিটর অ্যানালাইস কি এবং কেন করা হয় এ কাজ, সেটি বললাম। কিভাবে করত হয়, সেটি এবার জানানো হবে।  আগের পর্বের লিংকঃ কম্পেটিটর এনালাইসিস শিখুন একদম হাতে কলম এবং আয় শুরু করুন আজকে থেকেই(১ম পর্ব) ধাপঃ২: প্রথম দুটি কলামতো পূরন করলাম। কারন প্রথম কলামে সিরিয়াল নাম্বার, দ্বিতীয় কলামের তথ্যের জন্য গুগলে গিয়ে কীওয়ার্ডটি দিয়ে সার্চ দিন। সেই সার্চের লিস্টের প্রথম ৫টি ওয়েবসাইটের url টি নিয়ে ২য় কলামে লিখুন।
ধাপঃ ৩: ৩য় কলামে অর্থাৎ page PR কলামে সেই ওয়েবসাইটের পেজটির PR যোগ করুন। এই তথ্য খুজের বের করার জন্য নিচের লিংক হতে সাহায্য নিতে পারেন। http://www.prchecker.info/
ধাপঃ ৪: ৪র্থ কলামে ডোমেইন পেইজ র্যাংকের তথ্য লিখতে হবে। উপরের একই লিংক থেকেই এই তথ্যটিও যোগাড় করে নিতে হবে।
ধাপঃ ৫: ৫ম কলামে অর্থাৎ অ্যালেক্সা র্যাংকিং কলামে অ্যালেক্সা র্যাংকের তথ্যটি যোগ করুন। সেজন্য নিচের ওয়েবসাইটে যেতে হবে।http://www.alexa.com/
ধাপঃ৬: ৬ষ্ঠ কলামে অর্থাৎ No of Indexed page কলামে কতটি পেজ ইনডেক্স করা হয়েছে, সেই তথ্যটি বসাতে হবে। সেটি বের করার জন্য আপনার ব্রাউজারে অ্যাডওন ইনস্টল করে নিতে হবে। অ্যাডওনটি ইনস্টলের জন্য নিচের লিংকে প্রবেশ করুনঃhttp://www.seoquake.com/ এই অ্যাড-ওনটি ইনস্টল থাকলে আপনি ইনডেক্স পেজের তথ্য পেয়ে যাবেন। আগের তথ্যগুলোসহ সকল তথ্যগুলো এটি ইনস্টল থাকলে সহজে পেযে যাবেন।
ধাপঃ৭: ৭নং কলামে অর্থাৎ ”google places” নামের কলামটিতে গুগল প্লেসে এই ওয়েবসাইটটি লিস্টেড আসে কিনা, সেটি উল্লেখ করেছি। গুগলের সার্চ রেজাল্টের দিকে তাকালেই আশাকরি বুঝতে পারবেন, সেটি গুগল প্রেসে লিস্টেড আছে কিনা।
ধাপঃ৮: এই কলামে গুগল প্লাসে কোন পেজ আসে কিনা সেটি লিখতে হবে। সেটি জানার জন্য seo quake অ্যাডওন টি থেকে সাহায্য পেয়ে যাবেন।
ধাপঃ৯: এই কলামে গুগল রিভিউ স্ট্যাটাসটি লিখা হয়েছে।এই কলামের তথ্যের জন্য গুগলের সার্চ রেজাল্ট পেজ থেকেই তথ্য পেয়ে যাবেন। আপনি যখন Cleaning Service NYC কীওয়ার্ডটি দিয়ে সার্চ করেছেন, তখন যেই ফলাফল গুগল আপনাকে প্রদর্শন করেছে, সেখানে ওয়েবসাইটের নামের নিচে দেখতে পারবেন, গুগল রিভিউয়ের তথ্য।
ধাপঃ১০: এই কলামটিতে লিখতে হবে আপনার টার্গেটেড কীওয়ার্ডটি সেই ওয়েবসাইটের টাইটেলে দেওয়া আছে কিনা।যদি কীওয়ার্ডটি টাইটেলে থাকে তাহলে কলামটিতে yes লিখতে হবে।
ধাপঃ১১: আপনার টার্গেটেড কীওয়ার্ডটি যদি র্যাংক পাওয়া ইউ আর এলে থাকে তাহলে সেটি এই কলামে উল্লেখ করতে হবে। এই তথ্যটি বের করার জন্য ওয়েবসাইটটিকে ব্রাউজারে ওপেন করলেই অ্যাড্রেসটি দেখলেই বুঝতে পারবেন।
ধাপঃ১২: ১২নং কলামে খুজে দেখতে হবে কম্পিটিটেরের ওয়েবসাইটের মেটা ডেসক্রিপশনে আপনার টার্গেটেড কীওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হয়েছে কিনা। সেজন্য ওয়েবসাইটটি ব্রাউজারে ওপেন করে ctrl + u চাপতে হবে। তাহলেই ওয়েবসাইটটির কোড আপনার কাছে উন্মুক্ত হবে। সেখানেই মেটা ডেসক্রিপশনটি খুজে নিয়ে দেখুন কীওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হয়েছে কিনা। যদি ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাহলে আপনার এক্সসেল ফাইলের কলামে উল্লেখ করুন।
ধাপঃ ১৩: টার্গেটেড কীওয়ার্ড ওয়েবসাইটের প্রমিনেন্ট এরিয়াতে থাকলে সেটি উল্লেখ করা হয়েছে এ কলামটিতে। ওয়েবসাইটের প্রমিনেন্ট অ্যারিয়া হচ্ছেঃ<b>, <b>, <body>,  <h1>, <title>, <p>, <br>, <i> , <em> ধাপঃ ১৪: ওয়েবসাইটটির ডোমেইন বয়স চেক করে সেই তথ্যটি এক্সসেল ফাইলে ১৪ নং কলামে উল্লেখ করতে হবে। সেটা জানার জন্য লিংকটিতে প্রবেশ করুনঃ http://smallseotools.com/domain-age-checker/
seo compititor elements

ধাপঃ ১৫: এই কলামটিতে অর্থাৎ content age কলামে ওয়েবসাইটের কনটেন্টের বয়স লিখা হবে। এ তথ্যটি বের করার জন্য নিচের লিংকটিতে যেতে পারেন। লিংকঃ web.archie.org এ লিংকে গিয়ে নির্দিষ্ট জায়গাতে কম্পিটিটর সাইটের ঠিকানা লিখে সার্চ দিন, তথ্যটি পেয়ে যাবেন।
ধাপঃ ১৬: কম্পিটিটর ওয়েবসাইটগুলোর সোশ্যাল সিগনাল জেনে এই কলামটিতে লিখতে হবে। সেই তথ্য বের করার জন্য রয়েছে একটি টুলস। সেই লিংকঃ http://monitoringsocials.com/ এখানে টুইটার, ফেসবুক, ডিগ, স্ট্যাম্বলআপন, ডেলিসিয়াস, লিংকেডিনের রিপোর্ট নিয়ে সেটি এক্সসেল ফাইলে সেভ করতে হবে।
ধাপঃ ১৭: কম্পিটিটরের ব্যাকলিংক সংখ্যা এই কলামে উল্লেখ করতে হবে। ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক চেক করার জন্য লিংক দিচ্ছি,http://smallseotools.com/backlink-checker/ এই লিংকে গিয়ে ওয়েবসাইটের নাম দিয়ে সার্চ দিলেই ব্যাকলিংক সংখ্যা জানা যাবে।
ধাপঃ ১৮: এই ধাপে এসে কাজ শেষ। সকল তথ্য পেয়ে গেছি। ৫টি কম্পিটিটর ওয়েবসাইটের তথ্যগুলোকেই এক্সসেল ফাইলে লিপিবদ্ধ করার কাজ শেষ। কাজ শেষের পর এক্সসেল ফাইলটি কিরকম হয়েছিল সেটি দেখার জন্য এক্সসেল ফাইলটি নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস রিপোর্ট ডাউনলোড লিংক।
এখানে বায়ারের চাহিদা অনুযায়ি যা যা দরকার ছিল, সেগুলোই শুধু দেখানো হয়েছে। তবে কম্পিটিটর অ্যানালাইস করার জন্য আরো অনেক তথ্য বের করার প্রয়োজন হতে পারে। সেগুলোর প্রয়োজন অনুযায়ি, বাকিটুকু গুগলের সাহায্য নিয়ে বের করে নিতে পারেন। কিংবা ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করেও জেনে নিতে পারেন। যতটুকু জানা আছে, চেষ্টা করব সহযোগিতা করার। তাছাড়া ক্রিয়েটিভ আইটির ফেসুবক গ্রুপে গিয়েও প্রশ্ন করতে পারেন।

কম্পেটিটর এনালাইসিস শিখুন একদম হাতে কলম এবং আয় শুরু করুন আজকে থেকেই(১ম পর্ব)

কম্পেটিটর এনালাইসিস শিখুন একদম হাতে কলম এবং আয় শুরু করুন আজকে থেকেই(১ম পর্ব)

সাধারণত যারা প্রফেশানালি এসইও এর কাজ করেন বা নিজের ওয়েবসাইটকে যারা এসইও করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য কম্পেটিটর এনালাইসিজ বা কম্পেটিটর রিসার্চ সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকাটা অনেক জরুরী। ঠিকমত কম্পেটিটর রিসার্চ করতে পারলে আপনার সাইটের প্রতিদ্বন্দী সাইটগুলো সম্পর্কে ভাল ধারণা পাবেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের এসইও করাটা অনেক সহজ হয়ে যায় এবং র‍্যাংকিংয়ে উপরের দিকে থাকা আপনার সাইটের রিলেটেড অনেক সাইটকে টপকে আপনার সাইটকে খুব সহজে সার্চ ইঞ্জিনের টপে নিতে পারবেন। এবার আসুন দেখি কম্পেটিটর এনালাইসিস কি? কেন করবেন এবং কিভাবে করবেন কম্পেটিটর এনালাইসিস।

all tips seo compititor analisis 2016



কম্পেটিটর এনালাইসিস কি?



সোজা কথায় বলতে গেলে কম্পেটিটর এনালাইসিস হচ্ছে নিজের প্রতিদ্বন্দীদের সম্পর্কে নিজের মধ্যে যথেষ্ট ভাল ধারণা তৈরি করতে পারা যাতে সেই ধারণাগুলোকে কাজে লাগিয়ে নিজের প্রস্তুতিপর্বটা ভালভাবে সেরে নিতে পারেন। এসইও এর ক্ষেত্রে কম্পেটিটর এনালাইসিস হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের মোস্ট রিলেটেড ভাল সাইটগুলো সম্পর্কে খোজ খবর নেয়া, অর্থাৎ সেই সাইটগুলোতে ঢুকে সেগুলোতে কি মানের এসইও করা হয়েছে বা কিভাবে কাজ করা হয়েছে এগুলো সম্পর্কে রিসার্চ করা। এতে করে সেই সাইটগুলোর এসইও এর ব্যাপারে অনেক ভাল আইডিয়া পেয়ে যাবেন এবং আপনার সাইটের এসইও করতে গিয়ে তাদের দুর্বল দিকগুলোকে টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে নিতে পারবেন। সেই অনুযায়ী যদি কাজ করতে পারেন তাদেরকে টপকে সার্চ রেজাল্টের টপে যাওয়া খুব একটা কঠিন হবে না আপনার জন্য।


কেন করবেন কম্পেটিটর এনালাইসিস?

সবাইতো এসইও করে নিজের ব্যবসার প্রসারের জন্য। সুতরাং প্রত্যেকেই চায়, তার ব্যবসার প্রসারে সর্বোচ্চ মেধা ব্যবহার করবে ‍অবশ্যই। আপনি যদি নিজের ব্যবসার উন্নতির জন্য মার্কেটিং শুরু করেন, তাহলে শুরুতেই আপনার প্রতিদন্দীদের ব্যপারে আইডিয়া নেয়া উচিত, প্রতিদন্দীদের কি কি দুর্বলতা আছে কিংবা কি কি শক্তি আছে, সেগুলো না জেনেই যদি আপনি মার্কেটিং করার জন্য নামেন, তাহলে আপনার লক্ষ্য পূরণ করতে পারবেননা, পারলেও অনেক সময় লেগে যাবে। আর যখন এই অ্যানালাইসিস রিপোর্ট বের করে কাজ শুরু করবেন, তখন আপনার কাজের পরিমান যেমন কমে যায়, তেমনি সফলতার সম্ভাবনাটুকু বেড়ে যাবে।

 কম্পিটিটির অ্যানালাইসিস করার পদ্ধতিঃ
তানজিন ওডেস্কে পাওয়া তার একটি কাজের শুরু থেকে শেষ অবধি বর্ণনা করে পুরো কাজটি বুঝিয়েছে।

ওডেস্কে তার কাজটির বর্ণনা ছিলঃ

Need an seo expert for competitor analysis of 14 keyword. I need detailed research on on a xls sheet. Pls provide an example with your cover letter. So that I can understand how expert you are.  Happy Bidding !!!

কাজটি পাওয়ার জন্য তার কভার লেটার ছিলঃ

Hi,
I am Tanjin. I am new to odesk. But I have over 5 years of experience in On page and Off Page SEO, SMM, SEM & Linkbuilding.
SEO is my PASSION! I enjoy helping companies to receive high rankings for their sites. I have very good experience in competitor analysis. Pls see the attached format as an example. Hope you will like it. If you need any chages pls let me know.
Thanks and waiting for your positive response.
Regards From
Tanjin
কাজটি করার শুরুতেই কীওয়ার্ডটি (Cleaning Service NYC) দিয়ে গুগলে সার্চ করে যেই ওয়েবসাইটগুলো পাওয়া যায়, সেগুলোর মধ্যে ১ম থেকে ৫ম পযন্ত ওয়েবসাইটগুলোকে অ্যানালাইস করে রিপোর্ট বের করা হয়।
আমার একটি কীওয়ার্ডঃ Cleaning Service NYC
এই কীওয়ার্ড দিয়ে গুগলে সার্চ দিয়ে প্রথম ৫টি কোম্পানীর নাম খুজে পাবেন।
ধাপঃ ১: সবার প্রথমে একটি এক্সসেল ফাইল খুলুন। যেই যেই তথ্যগুলো আপনার সংগ্রহ করতে হবে। সেগুলোর জন্য আলাদা আলাদা কলাম তৈরি করুন। আমার প্রয়োজন অনুযায়ি আমি এখানে ১৭ টি কলাম তৈরি করেছি।
নামগুলো যথাক্রমে উল্লেখ করছি।
No, competitor url, Page PR, Domain PR, Alexa Rank, No of Indexed page, google places, google+ page, Google Review (No, status of review), keyword in title, keyword in url, keyword in Description, Keyword prominence, Domain age, content age
এক্সসেল ফাইল প্রস্তুত। এবার প্রতিটি কলামে বসানোর জন্য তথ্য সংগ্রহের পালা।

বাকি বিষয়গুলো শিখব পরের পর্বে। ভাল লাগলে কমেন্ট করে জানান, তাহলে পুরো লিখাটি শেষ করতে আগ্রহবোধ করব।

এসইওয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সংযুক্তি

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেসনের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে অনেক গুলো বিষয় জড়িত আছে। বিষয় গুলো নিয়ে ওয়েবে অনেক কনটেন্ট আছে। যারা এসইও শিখতে চায় তারা একের পর এক লিঙ্ক গুলো পড়ে নিলে নিজেকে এসইও কনসালটান্ট হিসেবে তৈরি করে নিতে পারবে।  ওয়েবে প্রতিনিয়তই হালনাগাদ তথ্য প্রকাশিত হয়। এখানে থাকা সংযুক্তি ছাড়াও অনেক ভালো কনটেন্ট থাকতে পারে। অনেক বেশি তথ্য নতুনদের জন্য সমস্যার কারন তাই ভিত্তি তৈরির জন্য যথেস্ট সেই দিকে লক্ষ্য রেখে লিঙ্ক গুলো যুক্ত করেছি।

seo learning tips & tricks
  • কিওয়ার্ড রিসার্চ
    • তালিকা তৈরি
    • কিওয়ার্ড যাছাই বাছাই ও নিবার্চন
    • কম্পিটিশন এনালাইসিস
  • সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব সাইট তৈরি
    • কোড
    •  ডিজাইন (পরোক্ষ)
    • কন্টেন্ট তৈরির পরিকল্পনা ( পরোক্ষ)
    • নেভিগেশন
    • কিওয়ার্ড অপটিমাইজড কনটেন্ট
    • ইন্টারনাল লিঙ্কং
    • ইউজাভিলিটি (পরোক্ষ)
  • অথরিটি তৈরি
    • ইনকামিং লিঙ্ক
    • সোশ্যাল সিগনাল
  • এনালিটক্স (পরোক্ষ)
এসইও ফোরাম ও গ্রুপ
অবশ্যই এই ফোরাম গুলোতে নিবন্ধন করবেন। নিয়মিত ভাবে সাইট গুলো ব্যবহার করবেন।
গুগলকে জানা ও বুঝার
গুগলকে জানা ও বুঝার মাধ্যমে এসইও শেখা শুরু করতে পারলে অনেক বিষয় সহজ হয়ে যায়। গুগল সম্পৃকিত গুরুত্বপূর্ণ সংযুক্তি।
কিওয়ার্ড রিসার্চ
ওয়েব সাইট ও এসইওয়ের সাফল্য নির্ভর করে কত দক্ষতার সাথে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা হয়েছে তার উপর। কিওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংযুক্তি।
এসইও গাইড
লিংক বিল্ডিং
সাইট স্ট্রাকচার
কিওয়ার্ডের তালিকা চুড়ান্ত করার পরের কাজটি হলো সাইটের ইনফোরমেশন আর্কিটেকচার ঠিক করা। সাইটের আর্কিটেকচার র‍্যাঙ্কিংয়ে বেশ ভুমিকা রাখে।
লেখা তৈরি
এসইওয়ের সাথে লেখার একটা সম্পর্ক আছে। উন্নত মানের লেখা না হলে যেমন র‍্যাঙ্ক করবে না ,আবার ভিজিটর এসে ফেরত গেলে কিংবা কাঙ্খিত কাজটি নাও করতে পারে। নিজের সাইট হলে অনেকে হয়তো নিজেই লিখে অন্যথায় ক্লায়েন্ট নিজে বা তার লেখক লিখার দ্বায়িত্ব পালন করতে পারে। এসইও প্রফেশনালরা কিংবা যারা লেখক তাদের কাজে লাগবে এমন কিছু সংযুক্তিঃ
ইউজাবিলিটি
কনটেন্ট মার্কেটীং
 সোর্চঃ কাসেম ব্লগ

রিলেটেট ব্লগ কমেন্টিং, গেস্ট ব্লগিং, ফোরাম পোস্টিং এবং ডাইরেক্টরি আর্টিকেল সাইট এর লিস্ট

অনেকেই গ্রুপে ভবিষ্যতে রিলেটেট ব্লগ কমেন্টিং, গেস্ট ব্লগিং, ফোরাম পোস্টিং এবং ডাইরেক্টরি আর্টিকেল সাইট এর লিস্ট চাইতে পারেন। একটু টেকনিক জানা থাকলে নিজেই গুগোলে সার্চ দিয়ে লিংক গুলো পেতে পারেন। যেমনঃ মনে করুন আপনার কি ওয়ার্ড হচ্ছে ‍"SEO" , তাহলে আপনার সার্চ ফর্মুলা হবেঃ-
 
SEO blog commeting sites lists
 
ব্লগ কমেন্টিং এর জন্যেঃ-
“SEO” site:.gov inurl:blog “post a comment”
“SEO” site:.edu inurl:blog “post a comment”
“SEO” “This blog uses premium CommentLuv”
“SEO” “Notify me of follow-up comments?”
“SEO” “add to this list” site:squidoo.com
গেস্ট ব্লগিং এর জন্যঃ-
 “SEO” guest writer
“SEO” guest blog post writer
“SEO” submit content
“SEO” submit article
“SEO” submit post
“SEO” submit blog post
“SEO” add article
“SEO” add blog post
“SEO” add content
“SEO” guest blogger wanted
ডাইরেক্টরি সাবমিশনের জন্যেঃ- 
“SEO” directory
“SEO” * directory
SEO * “aquarium
”intitle:directory“SEO”
inurl:directory “SEO”
“list of “SEO” sites”
“list * “SEO” sites”
“list * “SEO” * sites”
“recommended links” “SEO”
“recommended sites” SEO”
“favorite links” SEO”“favorite sites” SEO”
ফোরাম পোস্টিং এর জন্যেঃ-
“SEO” forum
“SEO forum
”intitle:” SEO” forum
inurl:” SEO” forum

robots.txt কি ?

robots.txt কি

 

robots.txt

 


যখন সার্চ ইঞ্জিনের সার্চবট কিংবা স্পাইডারগুলো আমার ওয়েবসাইটে এসে আপনার পেজগুলোকে ইনডেক্স শুরু করে, তখন Robots.txt ফাইলটি দিক নির্দেশকের কাজ করে। এই ফাইলটি সার্চ ইঞ্জিন থেকে আগত ক্রওলার বা স্পাইডারকে জানাবে কোন পেজগুলো ইন্ডেক্স করতে হবে আর কোন পেজগুলো ইন্ডেক্স করতে হবে না। আপনার ওয়েবসাইটের পেজগুলো ইন্ডেক্স হওয়া বা না হওয়া অনেকটা এর ওপর নির্ভর করবে । ফাইলটি একটি সাধারণ টেক্সট ফাইল, এতে কোন বিশেষ কোডিং করা হয়নি, এটি আপনার ওয়েবসাইটের রুট ডিরেক্টরতে থাকতে হবে।
উদাহরণস্বরূপ – https://seoalltips2016.blogspot.com/
robots.txt” ফাইল এমন একটি ফাইল যেটা সার্চ ইন্জিনকে বলে যে,সার্চ ইন্জিন একটা সাইটের কোন কোন্ পেজ crawl করবে আর কোন কোন পেজ crawl করবেনা।এই robots.txt ফাইলটি রুট ফোল্ডারে থাকে।
কিভাবে Robots.txt ফাইলটি তৈরি করবো?
robots.txt ফাইল দিয়ে সার্চ ইন্জিনের বট,ক্রাউলার এবং স্পাইডার সাইটের কোন্ কোন্ পেজ দেখবে এবং কোন্ কোন্ পেজ দেখবেনা এসব নিয়ন্ত্রন করা যায়।এই নিয়ন্ত্রনের পদ্ধতিকে বলা হয় রোবটস এক্সক্লুসন প্রটোকল (Robots Exclusion Protocol) বা রোবটস এক্সক্লুসন স্টান্ডার্ড (Robots Exclusion Standard) .এই ফাইল তৈরীর আগে এখানে ব্যবহৃত কিছু চিহ্ন চিনে নেয়া যাক
Robots.txt Protocol – Standard Syntax & Semantics
অংশ/চিহ্ন বর্ননা
User-agent: নির্দেশ করে রোবট(সমূহ)কে
* Wildcard. User-agent: * এটার অর্থ সব রোবট
disallow: প্রতিটি লাইন disallow: দিয়ে শুরু হয়।এরপরে আপনি / দিয়ে URL path ঠিক করে দিতে পারেন।এতে করে ওই path বা ফাইল বা ওই পেজ আর রোবট ক্রাউল করবেনা।যদি কোন path না দেন অথ্যাৎ ফাকা থাকে তাহলে disallow কাজ করবে allow এর।
# কমেন্ট করার জন্য।এটার পরে কোন লাইন এজন্য লেখা হয় যাতে এই লাইনটি পরে বোঝা যায় যে নিচের কোডগুলি কি বিষয়ক হবে।
Disallow ফিল্ড আংশিক বা পূর্নাঙ্গ URL উপস্থাপন করতে পারে।/ চিহ্নের পর যে path উল্লেখ থাকবে সেই path রোবট ভিজিট করবেনা।যেমন
Disallow: /help
#disallows both /help.html and /help/index.html, whereas
Disallow: /help/
# would disallow /help/index.html but allow /help.html
কিছু উদাহরন
সব রোবট অনুমোদন করবে করবে সব ফাইল ভিজিটের জন্য (wildcard “*” নির্দেশ করে সব রোবট)
User-agent: *
Disallow:
সব রোবট কোন ফাইল ভিজিট করবেনা
User-agent: *
Disallow: /
গুগলবট এর শুধু ভিজিটের অনুমোদন থাকবে বাকি কেউ ভিজিট করতে পারবেনা
User-agent: GoogleBot
Disallow:
User-agent: *
Disallow: /
গুগলবট এবং ইয়াহুস্লার্প এর শুধু ভিজিটের অনুমোদন থাকবে বাকি কারো থাকবেনা
User-agent: GoogleBot
User-agent: Slurp
Disallow:
User-agent: *
Disallow: /
কোন একটা নির্দিষ্ট বটের ভিজিট যদি বন্ধ করতে চান তাহলে
User-agent: *
Disallow:
User-agent: Teoma
Disallow: /
এই ফাইলটি দ্বারা যদি আপনার সাইটের কোন URL বা পেজ crawl করা বন্ধ করে দেন তারপরেও কিছু সমস্যার কারনে এই পেজগুলি কোথাও কোথাও দেখাতে পারে।যেমন রেফারেল লগ এ URL গুলি দেখাতে পারে।তাছাড়া কিছু কিছু সার্চ ইন্জিন আছে যাদের এলগরিদম খুব উন্নত নয় ফলে এসব ইন্জিন থেকে যখন স্পাইডার/বোট crawl করার জন্য পাঠায় তখন এরা robots.txt ফাইলের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে আপনার সব URL crawl করে যাবে।

এসইও গাইডলাইন – স্ট্রাটেজি, টুলস এবং রিসোর্স

এসইও স্ট্রাটেজি নিয়ে লিখতে গেলে দিনের পর দিন বই লেখা যায়। এটা এমন এক অধ্যায় যার শেষ দেখে কেও মৃত্যবরন করতে পারে নাই। আর ১০০% সাকসেস এই সেক্টরে আসলে কেউই মুখ উচু করে বলতে পারবে না ।  হ্যাঁ সেই পারবে যে কিনা ২ টা কাজ করেছে, আর বিশাল বড় কি-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করেছে। যাই হোক, নিচে আমি কিছু রিসোর্স আপনাদের জন্য দিচ্ছি। এগুলো পড়লেই আশা করি, পরবর্তী ধাপ আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। 


 


এসইও স্ট্রাটেজিঃ 

  • গুগল এসইও গাইড - গুগল এসইও গাইড মেইনলি নতুনদের জন্য। যারা আসলে ইথিক্যাল আর নন-ইথিক্যাল এসইও এর ব্যাপারগুলো জানে না। যারা এটা না পড়েই এসইও করতেছেন তারা কখনই আসলে পারফেক্ট ইথিক্যাল অপটিমাইজার হিসেবে দাবি করতে পারবে না। সুতরাং প্রাথমিক এই গাইডটা আপনাকে ইথিক্যাল অপটিমাইজার হওয়ার ধারনা দিবে।
  • ই-কমার্সের জন্য এসইও - অনলাইনে পণ্য সেল করার জন্য অর্গানিক ভিজিটর এর ভ্যালু অনেক। কিন্তু এত বেশি কম্পিটিশন যে, আপনি হইত হিমশিম খেয়ে যেতে পারেন। অ্যাডাম এর স্লাইডশেয়ার সেসব বিষয় নিয়ে বিস্তর লেখা আছে।
  • ই-কমার্স মার্কেটিং গাইডলাইন - বাংলাদেশের প্রেক্ষপটের জন্য ই-কমার্স মিলিয়ন ডলার এর একটা ইন্ডাস্ট্রি। খুব দ্রুত এই ইন্ডাস্ট্রি হইত বিলিয়ন ডলারে রুপান্তর হবে। কিন্তু এই মার্কেটে নিজেকে প্রবেশ করাতে হলে, এর জন্য প্রয়োজন পরিপূর্ণ  মার্কেটিং প্ল্যান এবং মার্কেট রিসার্সসহ আরও অনেক কিছু। সেসব নিয়েই বিস্তর লেখা। এই লেখাটি আমার নিজের লেখা।
  • ৫ টি এসইও স্ট্রাটেজি - অনেক পদ্ধতি আছে, যেগুলো অনেকে স্প্যাম এর ফেলে রেখে কাজ করে না। এমনি ৫ টা স্ট্রাটেজি এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
  • অ্যাপ স্টোর অপটিমাইজেশন গাইডলাইন - মাল্টি বিলিয়ন ডলারের মার্কেট এটি। সার বিশ্ব জুড়ে এখন অ্যাপ ডেভেলপার এবং ব্যবহারকারীর অভাব নেই। কিন্তু এর মধ্যে থেকে যদি আপনি কিছু না করতে পারেন, তবে সেটা আপনার ব্যর্থতা। লেখাটি আমার নিজের। অ্যাপস স্টোর অপটিমাইজেশন নিয়ে বিস্তর লেখা আছে।

কি-ওয়ার্ড রিসার্চঃ 

  • বেসিক কি-ওয়ার্ড রিসার্চ - একদম নতুন যারা, শুধুমাত্র তাদের জন্য এই লেখাটি। এখানে কিভাবে বেসিক একটা ধারনা পাওয়া যায়, সেই সম্পর্কে লেখা আছে।
  • ৬ টি আনট্যাপ কি -ওয়ার্ড সোর্স - নেইট প্যাটেল এর এই লেখাটি নতুনদের জন্য অনেক কাজে দিবে। গুগলে টার্গেটিং করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। যেটা স্পষ্ট করেই দেওয়া আছে এখানে।
  • কি-ওয়ার্ড রিসার্চ গাইড - ব্রেন ডিন এর একটি অসাধারন লেখা। যেখানে ব্রেন ডিন খুব সুন্দরভাবে স্টেপ বাই স্টেপ কি-ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
  • কিভাবে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করবেন - নিক অনেক বেশি রিসার্চ করেন। ইন্ডাস্ট্রিতে তাকে অনেকে রিসার্চার হিসেবে ভালো চিনে। সবার থেকে একটু ভালো রিসার্চ করতে পারেন। লেখাটি যে দারুন হতে পারে সেটা সুধুমাত্র উপলব্ধির ব্যাপারমাত্র।

অনপেজ এসইওঃ 

  • ৭ টি অনপেজ স্ট্রাটেজি - ক্রিস শেপার্ড একজন ভালো মানের স্ট্রাটেজিস্ট। তার লেখা সর্বদা আমার পছন্দের তালিকা তে থাকে। অনপেজ এর কিছু ট্রিক্স এখানে আপনি পাবেন। যেটা আপনার অনপেজ কে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।
  • কি-ওয়ার্ড টার্গেটিং অনপেজ অপটিমাইজেশন - র‍্যান্ড এর লেখা আসলে বোঝা একটু কস্টকর। স্ট্রাটেজিক্যাল ফরম্যাটে লিখেন। যা নতুনদের বুঝে উঠতেই কস্ট হয়ে যায়। তবে এই লেখাটি তে সুন্দরভাবে উল্লেখ করেছে। কিভাবে কি- ওয়ার্ড টার্গেট করে অনপেজকে ভালোভাবে অপটিমাইজ করবেন।
  • মাল্টিল্যাঙ্গুএজ অপটিমাইজেশন - বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা জানি যে, বিভিন্ন দেশের জন্য বিভিন্নভাবে টার্গেট করতে হয়। অনেকে জানে না, মাল্টিল্যাঙ্গুএজে এর ক্ষেত্রে কিভাবে পারফেক্ট অনপেজটা করতে হয়। ফলে সাইট বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ড্রপ হয়। ক্রিসিয়ান এর লেখাটা সেই উপকারিতাটা বহন করতেছে।
  • ৯ টি অনপেজ এসইও এলিমেন্ট- অনপেজ ফ্যাক্টরগুলো জেসন অসাধারন লিখেছেন । এটা অনেক কাজে দিবে সবার, আমি মনে করি।
  • অনপেজ অপটিমাইজেশন চেকলিস্ট - অনপেজ অপটিমাইজেশন করার এই চেকলিস্ট থেকে যাচাই করে নিতে পারবেন, কোন জিনিসটি বাদ পড়ে গেল আপনার সাইট অনপেজ করার ক্ষেত্রে।

লিঙ্কবিল্ডিং 

  • এনাকোন্ডা লিঙ্কবিল্ডিং - এটি আমার একটি লেখা। অনেকগুলো লিঙ্ক বিল্ডিং এর মেথড বা পদ্ধতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা আছে।
  • সেরা লিঙ্ক বিল্ডিং স্ট্রাটেজি গাইডলাইন - ২০১৫ এর সব লিঙ্ক বিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে আসলে এই লেখাটি। যেখানে অনেক বেশি বিস্তারিত লেখা। আর এই লেখাটিও আমার নিজের লেখা।
  • আউটরেচ লিঙ্কবিল্ডিং - কনটেন্ট বেস আউটরেচ লিঙ্ক বিল্ডিং নিয়ে এটা লেখা। অনেক গুরুত্বপূর্ণ লেখা এখানে রয়েছে। লিঙ্ক আর্ন এর ব্যাপার নিয়ে জাস্টিন বিস্তর লিখেছেন।
  • লোকাল লিঙ্কবিল্ডিং গাইডলাইন - লিঙ্ক বিল্ডারদের জন্য এহেরিফ এর ফ্যান্টাসিক একটা কনটেন্ট। লোকাল অপটিমাইজে ছাড়াও অনেক কাজে দিবে আপনাকে।
  • লিঙ্ক আর্নিং মেথড - লিঙ্ক বিল্ডিং করার থেকে লিঙ্ক আর্ন করাটা এসইও এর সবথেকে ইফেক্টিভ মেথড। কিন্তু এই আর্ন করাটা বলা যতটা সহজ আসলে তার থেকে ১০০ গন বেশি কঠিন ফলাফল পাওয়া। তবে কোয়ালিটি কনটেন্ট এর উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। লেখাটা আমি লিখেছিলাম।
  • কিভাবে লিঙ্ক এনালাইজ করবেন -আসলে লিঙ্ক করার থেকে বোঝাটা অনেক কঠিন। কোনটা টক্সিক লিঙ্ক আবার কোনটা ভালো লিঙ্ক সেটা না জানতে পারলে পেনাল্টি আপনার জন্য ঘরের দরজা খুলে বসে থাকবে। এজন্য লিঙ্ক বিল্ডিং করার ক্ষেত্রে এটা খুবই জরুরী। এই কনটেন্ট সেটাই সাহায্য করবে।

টেকনিক্যাল এসইওঃ 

  • নন-টেকনিক্যালদের জন্য ট্যাকনিক্যাল এসইও - টেকনিক্যাল এসইও এর বেসিক ব্যাপারগুলো এরিন সার্চ ইঞ্জিন ওয়াচে খুব ভালো ভাবে তুলে ধরেছেন।
  • টেকনিক্যাল এসইও গাইডলাইন - পেডি তার এই কনটেন্টে টেকনিক্যাল এসইও সম্পর্কে স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন তুলে ধরেছেন। ক্রলিং, ইনডেক্সিং এবং র‍্যাঙ্কিং নিয়ে বিস্তারিত লেখা রয়েছে।
  • টেকনিক্যাল এসইও চেকলিস্ট- এটা একটা সিস্টেম, যা আপনার জানার পরও অনেক ক্ষেত্রে ভুলে যাবেন। চেকলিস্ট আপনাকে একটা পারফেক্ত গাইড দিতে সাহায্য। এরকম একটা পারফেক্ট চেকলিস্ট।

লোকাল এসইওঃ 


মোবাইল এসইওঃ

  • মোবাইলের জন্য কনটেন্ট মার্কেটিং স্ট্রাটেজি - কনটেন্ট মার্কেটিং ইন্সটিটিউটের ডেভিড অসাধারন একটি লেখা শেয়ার করেছেন। কিভাবে মোবাইল মার্কেটিং এ কনটেন্ট স্ট্রাটেজি অ্যাপ্লাই করবেন সেটার একটা পারফেক্ট গাইডলাইন এখান থেকে পাবেন।
  • কিভাবে মোবাইল এসইও করবেন - মোবাইলে সার্চে কিভাবে র‍্যাঙ্ক করবেন, সেই ধরনের ইফেক্টিভ সব ইন্সট্রুমেন্ট নিয়ে ওয়েব মার্কেটিং গ্রুপ এর ট্রেন্স এই কনটেন্টে তুলে ধরেছেন।
  • অবনতির ৭ টি ইউএক্স - ইউজার এক্সপেরিয়েন্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় মোবাইল সার্চ এর জন্য। শ্যরন সেইসব বিষয়গুলো এখানে সতর্ক করেছেন। এটা আপনার মোবাইল সার্চে র‍্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে খুবই ইফেক্টিভ।
  • মোবাইল এসইও অডিট - র‍্যাঙ্কিং থেকে যেন না পড়ে যায় সেজন্য এই অডিটটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এক্সপেরিয়েন্স মার্কেটাররা ছাড়া আসলে এই ধরনের অডিটে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া খুবই কস্টকর। কিন্তু এই লেখাটে সেই কস্টটা লাঘব করার প্রানপন চেস্টা করা হয়েছে।
  • মোবাইল এসইও এর টেকনিক্যাল গাইড - টেকনিক্যাল ইস্যুগুলো আসলেই সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্কিং এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি একজন কে হুবহু কপি করেন তারপরও সেই যায়গাতে পৌছাতে পারবেন না। এসইও এর সব থেকে বড় ল্যাকিংসটা এই যায়গাতে। যেখান থেকে আসলে ঘোল খাওয়াতে হয়। লেখাটা সেই সমাধান করবে।

কনটেন্ট মার্কেটিংঃ

  • কনটেন্ট মার্কেটিং ফান্ডামেন্টাল - বেসিক কনটেন্ট মার্কেটিং নিয়ে সুন্দর একটা লেখা। প্রাথমিক মানিড সেট-আপ যদি সঠিক না হয় তবে সেটা একটু কষ্টকর পরবর্তী ধাপে পৌছান। কনটেন্টটিসেই অর্থে কাজের একটি লেখা।
  • কনটেন্ট মার্কেটিং স্ট্রাটেজি - কনটেন্ট মার্কেটিং এর জন্য যদি আপনি পারফেক্ট প্ল্যান না করেন, তবে আপনার টাকা এবং সময় শুধুমাত্র ব্যয় হবে। স্ট্রাটেজি তৈরি করে এগুতে হবে। দূরদর্শন ক্ষমতা থাকতে হবে। রিস্ক প্রতিটি ক্ষেত্রে থাকবে, কিন্তু সেটার পরিমান যেন কম হয় সেদিকে খেয়াল রাখাটা বেশি জরুরী।
  • মিথ্যা কে সত্যি তে রুপান্তর - ৮ টি মিথ্যা কে কিভাবে মানুষের সামনে সত্যি তে রুপান্তর করলেন, সেটা এক বিশাল মিথ। মিথ্যাবাদী হয়া না, টেকনিক শেখাটা হচ্ছে কনটেন্ট মার্কেটিং মুল হাতিয়ার। অন্যথায় হাজার হাজার ডলার খরচ হলেও প্রোফিট করতে পারবেন না।
  • কনটেন্ট ডিসকাভারি প্ল্যাটফর্ম - কনটেন্টকে আরও বেশি রিচ করানোর জন্য কনটেন্ট ডিসকাভারি প্ল্যাটফর্মগুলো সাহায্য করবে। অনলাইনে অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে এই ধরনের। কোথা থেকে বেনিফিট পাবেন সেটা নিয়েই লেখা। এছাড়া আপনি চাইলে এইপ্ল্যাটফর্ম থেকে ইনকামও করতে পারবেন। লেখাটা আমার নিজের।
  • কিভাবে ডিপ কনটেন্ট লিখবেন - ইফেক্টিভ কনটেন্ট মার্কেটিং জানতে হলে, অবশই আপনাকে ডিপ কনটেন্ট লেখা জানতে হবে। ইউজার ক্লিয়ার বোঝার পরও কিছু কনফিউশনে থাকে যার কারনে সে কনভার্ট হয়। এই ধরনের কনটেন্ট লেখার জন্য অভিজ্ঞতা বিশাল বড় একটা ইস্যু। লেখাটা সেটা ক্লিয়ার করেছে।
  • ২৫ টি মাধ্যমে কনটেন্ট লেখার - কিভাবে কনটেন্ট লিখবেন যে মানুষ আপনার কনটেন্ট শেয়ার করে, সেইসব ট্রিকি বিষয় নিয়েই লেখা।

কনভার্সন রেট অপটিমাইজেশনঃ 

  • নতুনদের জন্য সিআরও গাইডলাইন - এটা যথেষ্ট না। কিন্তু এই গাইডলাইনটি মাইন্ড সেটআপ করতে হেল্প করবে।
  • ওয়েবস্পিড অপটিমাইজেশন - স্লো ল্যান্ডিং পেজ আপনার কনভার্ট রেট মাইনাসে নিয়ে আসতে পারে। যার জন্য সাইট স্পিডটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই লেখাটা সেটাই সাহায্য করবে।
  • ল্যান্ডিং পেজ গাইডলাইন - কপিব্লগার স্টেভেন ল্যান্ডিং পেজ নিয়ে এখানে বিস্তারিত লিখেছেন ইনফুগ্রাফিতে। যা কিনা আপনার কনভার্ট করতে সাহায্য করবে। ল্যান্ডিং পেজ কনসালটেন্সি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো ল্যান্ডিং পেজ-ই আপনাকে সাকসেস করতে পারবে না। কনভার্ট এর অনেক কিছু নির্ভর করে ল্যান্ডিং পেজ এর উপর।

পেনাল্টি রিমুভালঃ

  • গুগল পেনাল্টি রিমুভাল আল্টিমেট গাইড - যদি পেনাল্টি খেয়ে থাকেন, তবে সেটা থেকে রিকভার না করা পর্যন্ত আপনার সাইট র‍্যাঙ্কিং-এ আসবে না। মজের লুইস এর এই পোস্টটি অনেক অ্যাকশান-এ্যাবল এবং তথ্যভিত্তিক। স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন দেওয়া আছে।
  • যেকোনো পেনাল্টি থেকে রিকভার - গুগল এর যেকোনো ধরনের পেনাল্টি থেকে রিকভার করার জন্য কিসমেট্রিক্স এর এই কনটেন্ট অনেক কাজে দিবে যে কারোর।

অ্যালগোরিদম আপডেটঃ 

  • গুগল এলগোরিদম পরিবর্তন ইতিহাস - মজের এই সেকশনটা শুধুমাত্র গুগল এলগোরিদম আপডেট এর জন্য। আপডেট এর সাথে কি ধরনের আপডেট হয়েছে, সেইসব মেজর বিষয়গুলো উল্লেখ করা থাকে।
  • পেঙ্গুইন, পাণ্ডা, হামিংবার্ড - সার্চ ইঞ্জিন জার্নাল মেজর সব এলগোরিদম আপডেটগুলো এখানে প্রকাশ করে। যেহেতু তারা অনেক বিস্তারিত প্রকাশ করে,তাই যে কারো বুঝতেই সুবিধা হবে।
  • গুগল ওয়েবমাস্টার চ্যানেল - ইউটিউবের এই চ্যানেলে গুগল তাদের অফিসিয়াল অ্যালগোরিদম আপডেটের সাথে সেটার সঠিক ব্যাখ্যা প্রকাশ করে। ফলে আপনার পরবর্তী স্টেপ বা ধাপ কি হতে পারে সেটার একটা ধারনা নেওয়া যায়।

টুলসঃ 

  • ৪৭ টি সেরা এসইও টুলস - ফ্রী এবং প্রিমিয়াম সবকিছু মিলে সুন্দর একটা টুলস এর লিস্ট। কোনটা ফ্রী আবার কোনটা প্রিমিয়াম এবং তাদের সার্ভিস চার্জসহ খুব ভালোভাবে উপস্থাপনা করা হয়েছে।
  • কনটেন্ট মার্কেটিং এর সেরা টুলস - কনটেন্ট মার্কেটিং এর জন্য টূলস এর বিকল্প নেই। একটা ন্যাচারাল কাজের থেকে অনেক সময় বাঁচিয়ে দেই কনটেন্ট মার্কেটিং টূলস। সিরিয়াস মার্কেটার যারা তাদের জন্য এই ধরনের টুলস এক ধরনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
  • এসইও এর জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল - সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাজেশন নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের মত আর কারও এত বেশি এক্সেল ব্যবহার করতে হয় না। আমার নিজের ডেক্সটপে এক্সেলশিটে সর্বদা ভরপুর থাকতো। ম্যাক্সিমাম অপটিমাইজাররা এক্সেল ব্যবহার করেন। শুধু আসলে ব্যবহার করলেই হয় না, এটার সঠিক পদ্ধতি জানতে হয়। এই  লেখাটা আপনার সময় বাঁচিয়ে দিতে সাহায্য করবে এবং সঠিক ব্যবহার এর দিক নির্দেশনা দিবে।
আমি জানি না আপনি কতটুকু পড়ালেখা করে একটা প্রোজেক্ট এর পেছনে সময় দেন। একটা জিনিস মাথায় রাখবেন কনফিডেন্ট ব্যাপারতা বিশাল একটা মারাত্মক গেম। ম্যাক্সিমাম এসইও অপটিমাইজার কাজের শুরুতেই কনফিডেন্ট হারিয়ে ফেলে। যার ফলশ্রুতিতে তারা আসলে প্রোজেক্ট ভালো করার ক্ষমতা থাকলেও সেটা তে সাকসেস হয় না। আমি যে রিসোর্সগুলো শেয়ার করেছি, আশা করি যদি সবগুলো স্টেপ বাই স্টেপ শেষ করতে পারেন, তবে হইত আজকের দিনের পর আপনার থিঙ্কিং লেবেল এবং আপনার কনফিডেন্ট আজকের মত আর থাকবে না। কালকে আপনি নিজেকে অন্য একটা জগতে দেখতে পাবেন। 

তো আর দেরি কেন, এবার অ্যাকশান শুরু হয়ে যাক।   ডোন্ট ফরগেট টু গিভ থাম্বস আপ, ইফ ইউ লাভ মাই কনটেন্ট ।   
Source : http://genesisblogs.com/tutorial-2/18154

যারা এসইও নিয়ে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে চান তাদের জন্য

SEO

যারা এসইও নিয়ে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে চান তাদের জন্য আজকের এই পোস্টটি। এসইও এর কাজ করা যায় এরকম কিছু মার্কেটপ্লেস এর লিস্ট দেওয়া হল।

রা এসইও নিয়ে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে চান তাদের জন্য আজকের এই পোস্টটি। এসইও এর কাজ করা যায় এরকম কিছু মার্কেটপ্লেস এর লিস্ট দেওয়া হল।
১। ওডেস্ক – www.odesk.com
২। ফ্রীল্যান্সার – www.freelancer.com
৩। ইল্যান্স – www.elance.com
৪। গুরু – www.guru.com
৫। পিপলপারআওয়ার – www.peopleperhour.com
৬। ফিভার – www.fiverr.com/
৭। এসইও জার – www.seozaar.com/browse/
৮।বান্ডেল এসইও – www.bundleseo.com/marketplace/
৯।এইচপি ব্যাকলিঙ্ক – www.hpbacklinks.com/
১০।মন্সটার ব্যাকলিঙ্ক – www.monsterbacklinks.com/
১১।এসইও মার্টস – www.seomarts.com
১২।গিগ ক্লার্ক – www.gigclerk.com/
১৩।বাইসেল এসইও – www.buysellseo.com/
১৪।এসইও চেকআউট – www.seocheckout.com/
১৫।দি এসইও মার্কেটপ্লেস – www.theseomarketplace.com
১৬।ফিভার এসইও – /www.fiverseo.com/

permalink-কি-কেন-SEO-এর-জন্য-permalink-গুরুত্বপূর্ণ?

permalink 

Permalink কিঃ

যখন কোনো একটি সাইট এর পোস্ট আমরা ভিজিট করি তখন আমাদের browser এর এড্রেস বারে মূল সাইট এর এড্রেস এর সাথে পোস্ট টাইটেল এর কিছু অংস শো করে এটাই মূলত permalink |

কেন SEO এর জন্য permalink গুরুত্বপূর্ণ ?
google মূলত একটি পোস্ট index করা এবং তা search result এ প্রদর্সন করার সময় পোস্ট টাইটেল এবং পোস্ট এর প্রথম Para থেকে কিছু কীওয়ার্ড নিয়ে থাকে |
কেউ যখন কোনো বিসয় google এ search করে তখন কীওয়ার্ড density এর উপর ফলাফল প্রদর্সন করা হয় | সাধারণত আমাদের পোস্ট টাইটেল এ search tergeted কীওয়ার্ড এর আধিক্য থাকে |
অনেক সময় আমাদের ব্লগ পোস্ট টাইটেল বেশ বড় হয়ে যায় তখন blogger পোস্ট এর জন্য যে অটো permalink তৈরি করে তাতে কিছু কীওয়ার্ড বাদ পরে যায় | যেহেতু google search result এ পোস্ট টাইটেল
এর কীওয়ার্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই আমরা চাইব যেন আমাদের পোস্ট টাইটেল এর প্রতিটা কীওয়ার্ড ই permalink এ প্রদর্সন করে | এক্ষেত্রে আমরা প্রতিটা পোস্ট এর জন্য অটো permalink তৈরি করে দিতে পারি এতে আমাদের
search result ভালো হবে |

কিভাবে ব্লগ পোস্ট এর জন্য permalink তৈরি করবেন ?
প্রথমে আপনার ব্লগ পোস্ট টাইটেলটি notepad এ কপি করুন _ ধরুন আপনার পোস্ট টাইটেল টি
Beche Theke Labh Ki Bol By Arijit Singh Video Rangbaaz Movie Free Download
এই পোস্ট টাইটেল এর permalink তৈরি করার জন্য পোস্ট টাইটেল এর প্রতিটা word এর প্রথম letter “small letter” করতে হবে |
এরপর প্রতিটা word (-) চিহ্ন দ্বারা যুক্ত করুন | ঠিক এভাবে ….
beche-theke-labh-ki-bol-by-arijit-singh-video-rangbaaz-movie-free-download
কোথাও কোনো স্পেস হবে না |
এবার আপনার blogger নিউ পোস্ট create page গিয়ে পোস্ট তৈরি শেষ করার পর right sidebar এ গিয়ে “post settings” option থেকে permalink tab select
করুন | এরপর Custom Permalink tab মার্ক করুন | এরপর আপনার তৈরি করা permalink টি custom permalink box এ paste করুন এবং “done” বাটন ক্লিক করুন |
আপনার custom permalink তৈরির কাজ শেষ |